"Observe  the Salat (Contact Prayers) for it prohibits evil and vice."

Salat times for Dhaka, Bangladesh. Muslim Prayer Times Widget by Alhabib.

 আয়াতুল কুরসি -এর আরবি, উচ্চারণ, অনুবাদ এবং ফজিলতঃ

ﺍﻟﻠّﻪُ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻻَ ﺗَﺄْﺧُﺬُﻩُ ﺳِﻨَﺔٌ ﻭَﻻَ ﻧَﻮْﻡٌ ﻟَّﻪُ ﻣَﺎ  ﻓِﻲ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻷَﺭْﺽِ ﻣَﻦ ﺫَﺍ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺸْﻔَﻊُ ﻋِﻨْﺪَﻩُ ﺇِﻻَّ  ﺑِﺈِﺫْﻧِﻪِ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﺃَﻳْﺪِﻳﻬِﻢْ ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠْﻔَﻬُﻢْ ﻭَﻻَ ﻳُﺤِﻴﻄُﻮﻥَ ﺑِﺸَﻲْﺀٍﻣِّﻦْ ﻋِﻠْﻤِﻪِ ﺇِﻻَّ ﺑِﻤَﺎ ﺷَﺎﺀ ﻭَﺳِﻊَ ﻛُﺮْﺳِﻴُّﻪُ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭْﺽَ ﻭَﻻَ ﻳَﺆُﻭﺩُﻩُ ﺣِﻔْﻈُﻬُﻤَﺎ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟْﻌَﻠِﻲُّ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢ ০

উচ্চারণঃ আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বিয়্যুম লা তাখুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম লাহু মা ফিছছামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ মান যাল্লাযী ইয়াস ফায়ু ইন দাহু ইল্লা বি ইজনিহি ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খল ফাহুম ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি ইল্লা বিমা সাআ ওয়াসিয়া কুরসিইউ হুস ছামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আজীম

বাংলা অনুবাদঃ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয় আসমান যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয় তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান [আল কুরআন: সূরা বাকারাহ্, আয়াত ২৫৫]

ফজিলতঃ আবু উমামা রাথেকে বর্ণিত তিনি বলেনআল্লাহর রাসূল নুরে   মুজাসসাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনযে ব্যক্তি প্রতি   ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসি পড়েতার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু   ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না [নাসায়ী]

 হজরত আলী রাবলেনআমি রাসূলুল্লাহ সা.কে বলতে শুনেছিযে ব্যক্তি   প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়েতার জান্নাত   প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে যে ব্যক্তি  আয়াতটি বিছানায়   শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরেপ্রতিবেশির ঘরে এবং আশপাশের সব   ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন [সুনানে বায়হাকী]

 মর্যাদাসম্পন্ন মহান আয়াতআবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ রারাসূল সা.কে   জিজ্ঞেস করেছিলেনহে আল্লাহর রাসূল সা.! আপনার প্রতি সবচেয়ে   মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছেরাসূল সাবলেছিলেনআয়াতুল    কুরসি [নাসায়ী]

উবাই বিন কাব থেকে বর্ণিতরাসূল সা:তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেনতোমার   কাছে কুরআন মজীদের কোন আয়াতটি সর্ব মহানতিনি বলেছিলেন, (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল্ হাইয়্যূল কাইয়্যূমতারপর রাসূলুল্লাহ্ নিজ হাত   দ্বারা তার বক্ষে আঘাত করে বলেনআবুল মুনযিরএই ইলমের কারণে   তোমাকে ধন্যবাদ [সহীহ মুসলিম]

হযরত আবু হুরায়রা রাথেকে বর্ণিতরাসূল সাবলেছেনসূরা বাকারায়   একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছেযে ঘরে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা হবে সেখান   থেকে শয়তান পালাতে থাকে [মুসতাদরাকে হাকিম]

 

সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াতের আরবিউচ্চারণঅনুবাদ এবং ফজিলতঃ

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ - هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ - هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاء الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

উচ্চারণঃ হু আল্লা হুল্লাজী লা (ইলাহা ইল্লা হু। আলিমুল গাইবী ওয়াশ  শাহাদাতী হুয়ার রাহমানুর রাহীম। হু আল্লা হুল্লাজী লা (ইলাহা ইল্লা হু।  আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল ম্যু মিনুলমুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল  মুতাকাব্বির ছুবহানাল্লাহী আম্মা ইউশরিকুন হু আল্লাহুল খালেকুল বারিয়্যুল  মুছাওরেলাহুল আছমা()উল হুছনা ইউ ছাব্বিহুলাহু মাফিছ ছামা ওয়াতি   ওয়াল আরদ্ ওয়া হুয়াল আজীজুল হাকীম।

বাংলা অনুবাদঃ তিনিই আল্লাহ তাআলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতাতিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ম্যশীল তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তাআলা তা থেকে পবিত্রতিনিই আল্লাহ তাআলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই নভোমন্ডলে ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়

ফজিলতঃ তিরমিযি শরীফে হযরত মাকাল ইবনে ইয়াসার (রাঃ)  এর বর্ণিত রেওয়ায়েতে রাসুলুল্লাহ (সাঃবলেন : যে ব্যক্তি সকালে  বার  “আউযুবিল্লাহিস্সামিউল আলিমি মিনাশ শাইতোয়ানির রাজিম” পাঠ করার পর   সুরা হাশরের সর্বশেষ তিন আয়াত পাঠ করিবে  আল্লাহ তায়ালা তাহার জন্য   ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন,তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঠকারীর জন্য  রহমতের দোয়া করবে যেদিন এই আয়াত তিনটি পাঠ করিবে সেদিন পাঠকারী  মারা গেলে শহীদের মউত হাসিল করিবে যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এভাবে পাঠ   করিবে সেও একই মর্তবা লাভ করিবে 

 

Copyright © 2015 Villain3210. All rights reserved.  

 Developed by: Villain3210




















































































































Make a Free Website with Yola.